সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি
- প্রধানমন্ত্রী: তরুণরা চাইলে দেশ পরিবর্তন করা সম্ভব।
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী: হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ।
- সিএমএইচ: চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন।
- স্বাস্থ্য: হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু।
- বিদ্যুৎ: আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ায় লোডশেডিং বৃদ্ধি।
- স্বর্ণের দাম: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি।
- খাদ্য মজুত: বিএনপি সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন।
দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিএনপি সরকার সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন। গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন এবং ধান ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন রয়েছে। এছাড়া ফ্লোটিং মজুত হিসেবে ৬৮ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টন গম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তিতে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট মোট মজুত ছিল ২১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিক টন। সেই তুলনায় বর্তমানে মজুত বেড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন। এমনকি ২০২৪ সালের ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টনের তুলনায় বর্তমান মজুত প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টন বেশি।
মজুত বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্যশস্যের ধারণ ক্ষমতা (ক্যাপাসিটি) বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। আগে দেশের গুদামগুলোর ধারণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন, যা বর্তমানে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়া। এছাড়া নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন আমদানি করা হয়েছে। একই সময়ে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমেও অগ্রগতি হয়েছে, যেখানে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে চলছে এবং গুদামগুলোতে পর্যাপ্ত মজুত থাকায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত। খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম বাড়লেও বিকল্প হিসেবে চাল বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে, ফলে খাদ্য নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তার কারণ নেই। আমন চাষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন জানান, প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান ও চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে তারা ন্যায্য মূল্য পান। ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম সচল রাখতে খাদ্যগুদাম থেকে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। সরকারের সমন্বিত এই পরিকল্পনা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার তা বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টনকে নিরাপদ সীমা বলে স্থির করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের খাদ্য বান্ধব নীতির কারণে দেশে বর্তমানে খাদ্য নিয়ে কোনোরকম দুশ্চিন্তা নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সে সময় সরকারি মজুতের মধ্যে চাল ছিল ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টন ও গম ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার টন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: খাদ্যশস্যের মজুতের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্যে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ মেট্রিক টন ও আতপ চাল ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৩ মেট্রিক টন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া গম সংগ্রহ করা হয়েছে ৫২৩ মেট্রিক টন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু করেছে।
সূত্র: Probash Khabor








