বিদ্যুৎ অপচয় রোধে স্মার্ট মনিটরিং ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব

প্রকাশ:

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে এখনো অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, যা অপচয়ের অন্যতম কারণ। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কারিগরি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে স্মার্ট মনিটরিং, কার্যকর লোড ব্যবস্থাপনা এবং বুদ্ধিমান সুইচিং প্রযুক্তির ব্যবহার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সোকোমেক কানেক্ট অংশীদারত্বের শক্তি’ শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সোকোমেক ও টেক ভ্যালি সলিউশনস লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন, কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করলেই হবে না, বরং উৎপাদিত বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্মার্ট মিটারিং ও মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত চিত্র পাওয়া সম্ভব, যা কোথায় অপচয় হচ্ছে তা শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। এ ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক কনটাক্টরভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সফার সুইচ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই প্রযুক্তিগুলো সমন্বিতভাবে ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়বে এবং জাতীয় পর্যায়ে অপচয় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

টেক ভ্যালি সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সোকোমেক স্থানীয় অংশীদারদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা এবং নির্ভরযোগ্য সমাধান পৌঁছে দিতে কাজ করছে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো অংশীদাররা যেন কেবল পণ্য বিক্রিতে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হয়ে গ্রাহকদের সঠিক সমাধান দিতে পারেন। আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আরও টেকসই ও নির্ভরযোগ্য করে তোলাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে সোকোমেকের কারিগরি ও উদীয়মান বাজার বিভাগের ব্যবস্থাপক বুদ্ধিকা জয়াবীরা বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নত ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সমাধান দেওয়ার ক্ষেত্রে সোকোমেকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন