জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস শাখা থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় এই অভিবাদন জানানো হয়। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ভাষণের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি
- জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন সরকারপ্রধান।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত সক্ষমতা বাড়াতে নাগরিকদের ক্ষমতায়নের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
- গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মাধ্যমেই উন্নয়নের গতিধারা সচল রাখতে হবে।
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়
উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় ভাষণ দিয়ে এক বিরল ইতিহাসের অংশ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে তার এই কণ্ঠস্বর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। একই সময়ে জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিবাদে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৭টি দেশ ওয়াকআউট করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এছাড়াও পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন বার্তা নিয়ে তারেক-শেহবাজের বৈঠকের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের ভেতরেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের ক্ষেত্রে হাট-বাজারের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে।
সূত্র: Probash Khabor








