তদন্তের আওতায় যা যা রয়েছে
- অভিযুক্ত ব্যক্তি: সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
- অনুসন্ধানকারী দল: দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের বিশেষ দল।
- দুদকের সময়সীমা: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- অভিযোগের ধরন: ঘুষ গ্রহণ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্র ও কেনাকাটায় অনিয়ম।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সময়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও নথি তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান মো. জাহিদ কালামের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ডপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।
দুদকের চিঠিতে পাঁচটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত সব নথিপত্র। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে এবং ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের স্মারকের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়া বদলির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।
তদন্তের স্বার্থে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান, বাতিল ও পদায়ন সংক্রান্ত নথিপত্র এবং মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও জমা দিতে বলা হয়েছে।
দুদকের ভাষ্যমতে, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দমতো পদায়নের জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আসিফ মাহমুদ। গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদক যদি এই বক্তব্য প্রত্যাহার না করে, তবে তিনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, একই সময়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে দ্বিতীয় যমুনা ও পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চুক্তি, তিন বছরে চার শতাধিক গার্মেন্টস বন্ধের তালিকা এবং সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সতর্কতা। এছাড়া ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি দখল ও সৌদি আরবে রেড অ্যালার্ট জারির মতো ঘটনাও আলোচনায় রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে গতকাল বুধবার আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মির্জা আব্বাসের কান্নাভেজা বক্তব্যে থমকে গেলো গোটা সংসদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জন্মনিবন্ধন থেকে এনআইডি—সব পরিচয়পত্রের ‘এক-আইডি’।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশকে অস্থিতিশীল করতে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব রটানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তরুণ উদ্যোক্তাদের বড় সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্র: Probash Khabor








