ইসলামি দল না করলেই কি কাফের? স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রকাশ:

কোনো ইসলামি সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেই একজন মুসলমানকে ‘কাফের’ বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি এ ধরনের প্রবণতাকে কিছু ইসলামি দলের কর্মীদের ‘বাড়াবাড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, বিভিন্ন ইসলামি দলের কর্মীরা প্রায়ই নিজেদের মতো করে এমন সব মন্তব্য করেন, যেগুলোর কোনো ভিত্তি কোরআন-হাদিসে নেই। অনেক ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতারাও কর্মীদের এমন কথা বলতে নির্দেশ দেন না। তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট বলয়, প্ল্যাটফর্ম বা সংগঠনের সঙ্গে কাজ করা—তা রাজনৈতিক হোক বা অরাজনৈতিক—কাজের সুবিধার জন্য বৈধ হতে পারে। তবে কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অন্ধ আনুগত্য তৈরি করা এবং আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশের চেয়ে দলীয় চিন্তা বা গোষ্ঠীকে বড় করে দেখা গুনাহের কারণ হতে পারে।

একজন মুসলমানকে রাজনীতি-সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণ কোন দিকে এবং অকল্যাণ কোন দিকে, তা বোঝার সক্ষমতা থাকা জরুরি। নিজের দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। যদি কারও সিদ্ধান্ত এমন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পথ প্রশস্ত করে যারা ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, তবে তার জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মুসলমানদের মূলধারার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মতবিরোধ তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। শরিয়তের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে সেগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কেউ বাড়াবাড়ি করেন, আবার কেউ অতিরিক্ত ছাড় দেন—উভয় প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে সঠিক পথ অনুসরণের ওপর তিনি জোর দেন।

এদিকে সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে রয়েছে বিড়ি ধরানো নিয়ে বাবা-ছেলের মারামারি থামাতে গিয়ে চাচার মৃত্যু এবং নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক তরুণীকে পুলিশ সদস্যের উদ্ধার করার ঘটনা। এছাড়া সীমান্তে বিএসএফের সঙ্গে বাংলাদেশির ধস্তাধস্তি ও অস্ত্র ফেলে পালানোর ঘটনাও ঘটেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুপুরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, গ্রামে লোডশেডিং কমাতে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় নাটোরের ফাতেমার চীনে মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে এবং সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরকারের প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ১০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নতুন দায়িত্ব পেলেন ১০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।

শেয়ার করুন