নেপাল-তিব্বত সীমান্তে প্রাকৃতিক দুর্যোগ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯

প্রকাশ:

নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। গত বুধবার সকালে শুরু হওয়া এই দুর্যোগের ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার পর শুক্রবার নতুন করে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তিব্বত অঞ্চলে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। দীর্ঘ ১১ বছর পর নেপালে এমন বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানল, যা নিয়ে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দুর্যোগে এখনো ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমের তথ্যমতে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৫৫৮ জন তিব্বতের বাসিন্দা। উদ্ধারকর্মীরা বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে কাজ করছেন। তবে দ্বিতীয় দফায় বন্যার আশঙ্কায় তারা অত্যন্ত সতর্ক ও উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছেন বলে রেডক্রসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বেইজিং থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে পানি জমে একটি বড় হ্রদ তৈরি হয়েছে। হ্রদটির পানি উপচে পড়ার ঝুঁকি থাকায় নতুন করে বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগের কারণ অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করছেন। তাদের মতে, নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর ধসে লহেন্দেখোলা নদীতে পড়ে। এতে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে একটি প্রাকৃতিক বাঁধের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই বাঁধ ভেঙে পানি, কাদা ও পাথরের প্রবল স্রোত ভাটির দিকে নেমে আসায় এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালের পুলিশের বরাতে বিবিসির খবরে আজ শুক্রবার এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, এ ঘটনায় তিব্বতে পাঁচজন মারা গেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিলীন হয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম, ভিডিওতে দেখা গেল নেপালের বন্যার ভয়াবহতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, দুর্যোগের কারণ নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ চলছে।

শেয়ার করুন