রংপুরের হারাগাছ পৌরসভার চরচতুরা এলাকার একটি রাস্তা থেকে আবু বকর সিদ্দিক নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সিদ্দিক হারাগাছ ইউনিয়নের পল্লীমারি হক বাজারের বাসিন্দা রাজা মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে লালমনিরহাট সদরে গিয়েছিলেন সিদ্দিক। ওইদিন রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তাকে গলা কেটে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে হারাগাছ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ পরকীয়ার সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এই সূত্র ধরে হারাগাছ এলাকার বাসিন্দা সাজু মিয়া ও তার স্ত্রী মুন্নি বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান জানান, হারাগাছ থানা পুলিশ মুন্নিকে আটক করার পর পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) স্বামী সাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা পিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। এর আগে রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রী-সন্তানসহ চারজনকে হত্যার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরকিয়ার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: মানবজমিন








