গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা ইসরাইল সরকার প্রত্যাখ্যান করার পর থেকে এ বিষয়ে ট্রাম্প সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। হোয়াইট হাউস থেকেও এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
গতকাল হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্পকে গাজা পরিস্থিতি এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে ট্রাম্প কেবল তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলো দেখার পরামর্শ দেন।
তবে ট্রাম্পের ওই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে গাজা বা নেতানিয়াহু সংক্রান্ত কোনো পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই অসংগতি দুই পক্ষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিভ্রাট বা অস্পষ্টতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
ঠিক দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ওয়াশিংটন সফরে এসেছিলেন নেতানিয়াহু। সেই সফরে তিনি হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছিলেন। তবে সেই বৈঠকে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং আলোচনার বিষয়বস্তুও গোপন রাখা হয়েছে।
গুঞ্জন রয়েছে, নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যে ট্রাম্প বিরক্ত। ট্রাম্প মনে করছেন, নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থান তার জন্য নেতিবাচক। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু এখন একে অপরের জন্য ‘নির্বাচনী বোঝা’ হয়ে উঠেছেন, যেখানে একজনের অবস্থান অন্যজনের স্বার্থের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: Daily Amar Desh








