শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অবসর সুবিধা বোর্ড ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এই দিন আমাদের দেশমাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
আর আজকে এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দিয়েছেন।’
তাই জাতির ইতিহাসে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন।’
তিনি বলেন, ‘একটি হচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ।
আমরা পারিনি তার প্রিয় বিষয়, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে যে কারিগরি শিক্ষার ফেয়ার এবং সেখানে যা করেছি, সেগুলো তার সময়ের অভাবে করতে পারিনি।
আশা করি, তিনি ১৮০ দিনের প্রোগ্রামে এগুলো নিয়ে যাবেন।
বাকি টাকা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করছেন এবং বিভিন্ন রকম সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখছেন।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিগত সরকার এই খাত থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে, যেটা সেলিম ভূঁইয়া সাহেব বলেছেন।
ইতোমধ্যে তারা ৫৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা যে ব্যাংকগুলোতে দিয়েছে, সেই ব্যাংকগুলোর নাম আমি আপনাদের বলছি না।
আটটি ব্যাংকে এই টাকাগুলো দিয়েছে, যেখান থেকে আমরা টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
এ ছাড়াও সরকারি ব্যাংকে আমাদের কিছু টাকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনে আমাদের এই ৬ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ যে অনুদান আপনারা দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী যে বন্ড কেনার টাকা দিয়েছেন, সেগুলো নিয়ে মোট আমাদের ৮৮ হাজার কোটি টাকার বন্ডের সম্পদ রয়েছে।
এই আয় দিয়ে আজকে যে যাত্রা আমরা শুরু করলাম, ১ লাখ ২৩ হাজার সুবিধা কল্যাণ ট্রাস্ট অ্যান্ড অবসর ভাতা তারপর আগামী বছরে আমরা ক্রমান্বয়ে আপনাদের বাকি সকল টাকা পরিশোধ করব ইনশাআল্লাহ।’
মুসলমান হলে একটি টুপি, একটি পাঞ্জাবি, একটি ছাতা, একটি লাঠি এবং একখানা কোরআন শরিফ ও একজোড়া তসবিহ দিয়ে তাদের বিদায় করতাম।’
তিনি বলেন, ‘যে শিক্ষকরা জাতি গঠনে সাহায্য করেছেন, তাদের এভাবে বিদায় দেওয়া যায় না।
এই যাত্রা শিক্ষকদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।
তাই আজকের এই দিনে আমরা স্মরণ করব আমাদের দেশনেতা বেগম খালেদা জিয়াকে।
আমরা স্মরণ করব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি এই বেসরকারি শিক্ষকদের শতকরা ৫০ ভাগ বেতন দিয়ে এই সিস্টেম চালু করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে আমরা চাই, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আগামী দিনে যা যা করণীয় রয়েছে, এই শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য আমরা সেদিকে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।’
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সূত্র: যুগান্তর








