ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়সংলগ্ন নওদাপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা তামাকবর্জ্যের স্তূপ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী ফিরোজ হোসেনের ভাড়া নেওয়া একটি ধানচাতালের আঙিনায় বিপুল পরিমাণ এই বর্জ্য স্তূপ করে রাখা হয়েছে। যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়াই এসব ফেলে রাখায় এলাকা জুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, এই উন্মুক্ত বর্জ্য থেকে ছড়ানো অসহনীয় দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বহু পরিবারকে বাধ্য হয়ে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিবেশ চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীই অভিযোগ করেছেন যে, দুর্গন্ধে এলাকায় চলাচলের সময় তাদের মধ্যে মাথাঘোরা ও বমি বমি ভাবসহ শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিচ্ছে।
দাশুড়িয়া মোকাররম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম রাব্বানী খান জুবায়ের এ বিষয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তামাকবর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো খোলা স্থানে ফেলে রাখার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য জমে থাকার পরও এটি অপসারণে কোনো প্রকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশগত আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখছে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে এলাকাটির পরিবেশ দূষিত হয়ে আছে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত এই বর্জ্য অপসারণ করে এলাকাটিকে বসবাসের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বাসিন্দারা, অস্বস্তিতে শিক্ষার্থীরাও।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








