দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখের জন্য বড় কোনো জাদুর প্রয়োজন নেই। ৪০-৫০ বছরের বৈবাহিক জীবনে সুখী থাকা দম্পতিদের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া যায় বেশ কিছু সাধারণ অভ্যাসের প্রতিফলন। এর মধ্যে প্রথমটি হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। চা তৈরি থেকে শুরু করে ঘরোয়া ছোটখাটো কাজে সঙ্গীকে ধন্যবাদ জানানোর অভ্যাস পারস্পরিক সম্মান বাড়ায়। সম্পর্ককে কখনোই ‘টেকেন ফর গ্রান্টেড’ হিসেবে নেওয়া উচিত নয়।
সুখী দম্পতিরা মানেই যে তারা ঝগড়া করেন না, বিষয়টি এমন নয়। তাদের ঝগড়ার লক্ষ্য জেতা নয়, বরং সমস্যার সমাধান করা। মনোবিজ্ঞানীরাও মনে করেন, মতবিরোধের সময় ‘আমি ঠিক’—এই অহমিকার চেয়ে ‘আমরা কি সমাধান করছি?’—এই প্রশ্নটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে সঙ্গীকে নিজের মতো করে গ্রহণ করা জরুরি। তাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা না করে তার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানানোই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি।
ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম শর্ত। দুজন মানুষ আলাদা সত্তা নিয়ে একসঙ্গে থাকলেও তাদের নিজস্ব বন্ধু, শখ ও ক্যারিয়ারের প্রতি সম্মান থাকা প্রয়োজন। একজন পরিপূর্ণ ব্যক্তিই অপরজনকে পরিপূর্ণতা দিতে পারেন। এই চর্চার পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট মন খুলে একে অপরের সঙ্গে কথা বলা উচিত। সারাদিনের অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা বিনিময়ের মাধ্যমে আবেগের গভীরতা বৃদ্ধি পায়।
ভুল করা মানুষের স্বভাব, তবে প্রতিটি ভুলের জন্য সঙ্গীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালে সম্পর্ক একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই ভুল করলে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি সঙ্গীকে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতা থাকা জরুরি। সবশেষে, ভালোবাসা কেবল একটি আবেগ নয়, বরং এটি প্রতিদিনের একটি সচেতন সিদ্ধান্ত ও দায়িত্ব। প্রতিদিন সঙ্গীর পাশে থাকা, সম্মান জানানো এবং মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা—এসব প্রশ্নের উত্তরে ইতিবাচক থাকার অঙ্গীকারই একটি সম্পর্ককে বছরের পর বছর প্রাণবন্ত রাখে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু দীর্ঘ ৪০-৫০ বছরের সুখী দাম্পত্যে থাকা অনেক দম্পতির অভিজ্ঞতা ঠিক উল্টো কথা বলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক কাপ চা বানানো, খাওয়ার পর দুজন মিলে বাসনকোসন ধোয়া, বাজার করা কিংবা দরজা বন্ধ করা—এমন ছোট কাজের জন্যও তাঁরা একে অপরকে ধন্যবাদ জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ, সম্পর্কে সম্মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনেকেই ভাবেন, সুখী দম্পতিরা খুব কম ঝগড়া করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সম্পর্কে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ‘আমি কি ঠিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যে ১০ পেশাজীবীর দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিয়ের পর অনেকেই ভাবেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গী বদলে যাবে।
সূত্র: প্রথম আলো








