ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে, ১২ গবেষণা প্রকল্পে ২৩ কোটি টাকা সহায়তা

প্রকাশ:

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, বর্তমানে অর্থনীতি স্থিতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এই স্থিতিশীলতা অর্জিত হলে ধীরে ধীরে অর্থনীতিতে গতি ফিরবে এবং বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন ধাপে প্রবেশ করবে। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণায় উদ্ভাবনী শক্তিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে এটি দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার এবং সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার বর্তমানে একটি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। অর্থনীতি সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ শিথিল এবং নতুন নীতিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, যার সুফল পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে। এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সারা দেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজও শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ইতিবাচক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জন গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাকে মোট ২৩ কোটি টাকা অর্থসহায়তা ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য ৭০ লাখ থেকে আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে শিল্পের বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান খোঁজা হবে।

অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন জানান, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রকল্প জমা পড়েছিল, যার মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ১২টি প্রকল্প নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিটি প্রকল্পের গবেষক সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আগে থেকেই কাজ করেছেন। তাঁদের জমা দেওয়া ধারণাপত্রের ভিত্তিতেই প্রকল্পগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী এক বছর তাঁরা গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ দেখাবেন, যা পরবর্তীতে শিল্পে প্রয়োগ করা হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবনগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোট হিমাগার থেকে মাছের খাবার বিতরণের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরি এবং ফেলে দেওয়া সুতা থেকে নতুন ধরনের প্যাকেজিং উপকরণ তৈরির মতো প্রযুক্তি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সভায় বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোট ২৩ কোটি টাকার অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন