দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নজরুলের আদর্শই বড় অনুপ্রেরণা: রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশ:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, জীবনভর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন নজরুল। তিনি কেবল যুগান্তরের কবিই নন, বরং যেকোনো অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখার প্রধান উৎসও তিনি।

রিজভী আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামে নজরুল ছিলেন মূল অনুপ্রেরণা। আজও দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র হলে নজরুলের বাণীই আমাদের রুখে দাঁড়াতে সাহস ও শক্তি জোগায়।

১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশব থেকেই চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হওয়া এই কবি কখনো হার মানেননি। তার সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। এই স্বল্প সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীতের মতো অনন্য সব উপহার দিয়ে। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তার পদচারণা ছিল না।

কবি নজরুলের ভাষায়, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি মানবমুক্তির প্রত্যাশায় তিনি যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতাল, বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ নিভে যায়। মৃত্যুর পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও শোষণ, বঞ্চনা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও শক্তিশালী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৮৯৯ সালের ২৪ মে জন্ম নেওয়া জাতীয় করি ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।

শেয়ার করুন