টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে বিশেষ ক্যাম্পেইন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ:

হামের টিকা কার্যক্রম থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে তাদের সুরক্ষায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে পূর্ণাঙ্গভাবে আরেকটি টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, মূল টিকাদান কর্মসূচিতে ১ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৮৯ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া সম্ভব হয়েছে। তবে কিছু শিশু নানা কারণে এই কর্মসূচির বাইরে থেকে গেছে। অনেক অভিভাবক কাজের ব্যস্ততা বা সন্তান স্কুলে থাকার কারণে টিকা কেন্দ্রে আসতে পারেননি, যার ফলে কিছু শিশু ড্রপ-আউট হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে এবং হাম প্রতিরোধে সরকার মপ-আপ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। গত ২০ মে মূল ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পর ২১ মে থেকেই এই মপ-আপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সিলেটের পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও ৩ হাজারের বেশি শিশুকে নতুন করে টিকা দেয়া হয়েছে। ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জের কারণে বান্দরবানেও শুরুতে টিকা পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছিল, তবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে সেখানে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হওয়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে এবং পূর্ণ কভারেজ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

গ্রামাঞ্চলের অবৈধ চিকিৎসা ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলায় সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। যেসব ক্লিনিকে লেবার রুমের মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা নেই এবং যারা অবৈধভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও সিলগালাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যখন কার্যক্রমটি শেষ করলাম, তখন বুঝতে পারলাম ১ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য থাকলেও ১ কোটি ৮৯ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ কারণেই টিকা না পাওয়া কিছু শিশুর মধ্যে এখন হাম দেখা দিচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যেখানে লেবার রুম নেই, সেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন