নাগোয়ায় বর্ণিল আয়োজনে পর্দা উঠল ২০তম এশিয়ান গেমসের

প্রকাশ:

নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা ও বাধা কাটিয়ে জাপানের নাগোয়া শহরের পালোমা মিজু স্টেডিয়ামে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০তম এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠল। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী আয়োজনে জাপানের সম্রাট নারুহিতো আনুষ্ঠানিকভাবে গেমসের সূচনা ঘোষণা করেন। আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই মেগা স্পোর্টিং ইভেন্টটি চলবে। উদ্বোধনী মঞ্চে সম্রাট ও সম্রাজ্ঞীকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয় এবং তাদের পাশে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সভাপতি কার্স্টি কভেন্ট্রি আসন গ্রহণ করেন। পুরো আয়োজনে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে জাপানের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হয়।

এবারের আসরে এশিয়ার ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১১,০০০ অ্যাথলেট অংশ নিয়েছেন। মহাদেশীয় এই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মোট ৪৩টি খেলা এবং ৭১টি ডিসিপ্লিনে পদকের জন্য লড়বেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নসহ শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়রা। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অংশগ্রহণকারী দেশের অ্যাথলেটদের বর্ণিল মার্চপাস্ট, যেখানে প্রতিটি দেশের প্রতিনিধিদল মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিলের পতাকা এবং গেমসের মশাল বহন করেন অলিম্পিকে স্বর্ণপদকজয়ী কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদরা।

জাপানি সংস্কৃতির পাশাপাশি এশীয় অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয় ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল উপজীব্য। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে অন্যান্য দেশের সাথে গর্বের সাথে মাঠে প্রবেশ করে টিম কাতার। এবারের আসরে কাতারের মোট ১৬ জন অ্যাথলেট বিভিন্ন ফিল্ড ও ট্র্যাক ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় দলের এই স্কোয়াডে অলিম্পিক এবং বিশ্ব পর্যায়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একাধিক তারকা খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। নাগোয়ার এই ভেন্যুতে আগামী ২৪ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অ্যাথলেটিক্সের সকাল ও সন্ধ্যার সেশনে পদকের লড়াইয়ে নামবেন কাতারি অ্যাথলেটরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবারের এই মহাদেশীয় বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এশিয়ার ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১১,০০০ অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটি এশিয়ান মহাদেশের সর্ববৃহৎ মাল্টি-স্পোর্টস ইভেন্ট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইচি ও নাগোয়ার নিজস্ব ঐতিহ্য এবং জাপানি সংস্কৃতির পাশাপাশি এশিয়ান মহাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলে নানা আকর্ষণীয় শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

শেয়ার করুন