জয়পুরহাট সদর উপজেলার জিতারপুর মোড় এলাকার একটি আখখেত থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি নিখোঁজ ইজিবাইকচালক ফরিদ হোসেনের (৪১) বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। গত ২০ আগস্ট সকাল ১০টায় ক্ষেতলাল উপজেলার হোপীরহাট গ্রামের বাড়ি থেকে ইজিবাইক নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই ফরিদ নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পরদিন তার বাবা আবদুল কুদ্দুস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত সোমবার সদর উপজেলার পাকার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে ফরিদের ইজিবাইকটি উদ্ধার করে পুলিশ। একই সঙ্গে রবিউল ও জাকির হোসেন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই ফরিদের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন, যেখানে হোপীরহাট গ্রামের সাগর হোসেনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
মামলা হওয়ার পরদিন মঙ্গলবার ভোরে জিতারপুর মোড়ের আখখেত থেকে শিয়াল মানুষের হাড়গোড় টেনে আনলে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পোশাক দেখে সেটি ফরিদের বলে শনাক্ত করেন। জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে কঙ্কালটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই পরিবারের কাছে কঙ্কালটি হস্তান্তর করা হলে তারা তা দাফন করেন।
জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম জানান, মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে বুধবার বিকেলে নওগাঁর আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঠানো হবে। এত দ্রুত সময়ের মধ্যে কীভাবে লাশটি কঙ্কালে পরিণত হলো, তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








