প্রিমিয়াম জেট ফুয়েলের দাম প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১৮২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি খরচের এই বড় উল্লম্ফন সত্ত্বেও সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপাবে না কাতার এয়ারওয়েজ। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত কাতার ইকোনমিক ফোরামে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রুপ প্রধান নির্বাহী হামাদ আলী আল খাতের। তিনি জানান, এয়ারলাইনসটির লক্ষ্য হলো বড় ধরনের ভাড়া বৃদ্ধি ছাড়াই বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা।
পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাতার এয়ারওয়েজ একাধিক কৌশল অবলম্বন করছে। এর আওতায় অধিক লাভজনক রুটগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব রুটে যাত্রী বা লাভের পরিমাণ তুলনামূলক কম, সেখানে সাময়িকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রাখার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরের স্লট ব্যবহারের দক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা চলছে।
জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় হ্রাসের জন্য বর্তমানে একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন হামাদ আলী আল খাতের। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীদের চাহিদা এখনো বেশ স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৭৫ শতাংশ যাত্রী ভ্রমণের অন্তত ৬০ দিন আগেই তাদের টিকিট নিশ্চিত করছেন।
প্রধান নির্বাহী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, পরিচালনগত দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে জ্বালানির বাড়তি মূল্যের প্রভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। চাহিদা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও অনুকূলে ফিরে এলে বর্তমানে স্থগিত রাখা রুটগুলোতে পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করা হবে। মূলত ব্যয় সংকোচন এবং যাত্রী সেবার মান অক্ষুণ্ণ রাখাই এখন প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
সূত্র: গালফ বাংলা








