রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। শুক্রবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে যে ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা বর্তমানে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ডজন ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে প্রোটিনের মূল উৎস মাছ ও মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। গত সপ্তাহের মতো ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। মুরগির অন্যান্য জাতের মধ্যে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রতি কেজি গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মাছের বাজারেও অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, আবার কোথাও ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। সাধারণ ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী হিসেবে পরিচিত পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছও এখন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছ কিনতেও এখন কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে, যা নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজারে অন্যান্য মাছের মধ্যে মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই ও পোয়া মাছ ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই মাছের জন্য ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। এছাড়া রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ।
সূত্র: মানবজমিন








