যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন নৌবহর মোতায়েন রাখার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, ইরান এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে দেবে—এমনটা যুক্তরাষ্ট্র কখনো চিন্তাও করেনি।
পার্সটুডে ও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মুলেন এই মন্তব্য করেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা একটি প্রচলিত বিষয় হলেও, এর মেয়াদ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে মুলেন বলেন, অতিরিক্ত সময় ধরে এ ধরনের মোতায়েন জাহাজের কর্মীদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষা অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা স্পষ্টতই আশা করিনি এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো—যেখানে আগে আমাদের সেনারা অবস্থান করত—তা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।’
এদিকে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি মিশনে মোতায়েন করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’-এর সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটজনক পরিস্থিতি ও কর্মীদের আত্মহত্যা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন সামনে আসার পর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের একদল সদস্য এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
‘আব্রাহাম লিংকন’ বিমানবাহী রণতরীতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন সদস্য রয়েছে। এর মিশন ২১ নভেম্বর শুরু হয় এবং পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ ও আগ্রাসী যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
সূত্র: Probash Khabor








