রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ:

রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার গত ছয় মাস ধরে শূন্য সহনশীলতার নীতি মেনে চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কার্যকর রয়েছে এবং নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদের অংশগ্রহণ সাংবিধানিক শাসনের প্রতিফলন ঘটায়। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজনে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ১৭৮৭ সালে প্রণীত মার্কিন সংবিধানের সাথে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় বেশ মিল রয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ ক্ষমতা প্রয়োগ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও একইভাবে সেই এখতিয়ার চর্চা করে। আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সবসময় ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা খুঁজে নেয়। অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, বিএনপির ১০ লক্ষাধিক নেতাকর্মী রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, যার প্রায় ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়ের করেছিল।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের শক্ত ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ক্রমাগত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক সংশোধনী আনার অধিকারই যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকে টেকসই করেছে। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, দুই শতাব্দীর বেশি সময় ধরে মার্কিন সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এছড়াও ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন