আবুধাবি টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচটি জিততে টাইগারদের প্রয়োজন আরও ৪টি উইকেট, অন্যদিকে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ২১৪ রান। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে আফগানিস্তান শেষ দিনে মূলত ড্রয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছে। জয়ের পথে টিকে থাকতে শেষ সেশনে ৩১ ওভারের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে আফগানদের। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩২৬ রান সংগ্রহ করে, জবাবে আফগানিস্তান ২৪০ রানে অলআউট হয়। ১০৬ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে আফগানিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান অলআউট হয় ২৪০ রানে।
মঙ্গলবার ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে দিন শুরু করা আফগানিস্তান প্রথম সেশন শেষে ৪ উইকেটে ২০৩ রান সংগ্রহ করে। দ্বিতীয় সেশনে দলটি আরও ২ উইকেট হারিয়ে ৬২ রান যোগ করে। তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ লড়াই করছেন সেদিকুল্লাহ অটল। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করে তিনি বর্তমানে ১০৫ রানে অপরাজিত আছেন। দিনভর তাকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সতীর্থরা, যদিও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। প্রায় পুরো সেশন উইকেটশূন্য কাটিয়ে দিলেও লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগমুহূর্তে ইকরাম আলিখিলকে হারিয়েছে আফগানরা। একের পর এক বল ডিফেন্স করেই যাচ্ছিলেন তিনি।
পঞ্চম দিনের শুরু থেকেই বেশ সতর্ক ছিল আফগানিস্তান। তবে সকালের সেশনে হাশমতউল্লাহ শাহিদী দৌড়ে রান নেওয়ার সময় ফিল্ডারের থ্রো পায়ে লাগলে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। পরে যদিও তিনি ব্যাটিংয়ে ফিরেছিলেন। হাশমতের পর মাঠে নামা ইকরাম আলিখিল বেশ দৃঢ়তা দেখালেও লাঞ্চের ঠিক আগমুহূর্তে ইবাদত হোসেনের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ৩৩ রান করে।
দ্বিতীয় সেশনে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি জালে আটকা পড়ে আফগানিস্তানের প্রতিরোধ। সাতে নামা ইসমাত আলম শুরু থেকে রক্ষণাত্মক খেললেও ৬০ বলে ৪ রান করে মিরাজের শিকার হন। পরবর্তীতে ইনজুরি থেকে ফিরে আসা অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদী বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সেশন শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে মিরাজের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড অনে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩৬ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। দিন শেষে টাইগার বোলাররা জয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে শেষ সেশনে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








