কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শীঘ্রই একটি নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে দোহা। দোহায় আয়োজিত গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে তিনি এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আঞ্চলিক মিত্রদের সাথে প্রতিরক্ষা খাতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আল-থানি জানান, সম্প্রতি কাতার নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে। এই পর্যালোচনায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন হামলার মোকাবিলা এবং পানির নিরাপত্তাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, প্রতিটি দেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি থাকলেও মৌলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে তাদের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। আল-থানি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মৌলিক বিষয়গুলোতে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী। তার দাবি, গত কয়েক দশকের সামরিক বিনিয়োগ এবং যৌথ অভিজ্ঞতার সুবাদে চলমান বিভিন্ন সংকটের সময় ৯০ শতাংশেরও বেশি হামলা সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। তার দাবি, চলমান সংঘাতের সময় যৌথ অভিজ্ঞতা ও কয়েক দশকের সামরিক বিনিয়োগের ফলে ৯০ শতাংশের বেশি হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: গালফ বাংলা








