কিশোরগঞ্জে জেলা পুলিশের এক সদস্যের শরীরে মাদক গ্রহণের প্রমাণ মিলেছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে জেলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওই পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করা হয়।
পরীক্ষার ফলাফলে মাদক গ্রহণের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলম। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে পুলিশ কনস্টেবল মো. ওসমান গনির নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার রিপোর্টটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মো. ওসমান গনি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের একজন ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বাবার নাম আব্দুল কুদ্দুছ এবং তাদের গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার ধামরাই থানার সাহাবেলীশ্বর গ্রামে। পুলিশের বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবেই এই ডোপ টেস্টটি পরিচালনা করা হয়েছিল। বিয়ের স্বীকৃতি মেলেনি পরিবারে, ইঁদুর মারার বিষপানে দুজনের মৃত্যু। হত্যা মামলায় জামিন পেয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান সাবেক মেয়র আইভীর। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ইউএস-বাংলার ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট বাতিল।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল। এই নীতি কেবল সাধারণ জনগণের জন্য নয়, বরং বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জন্য একইভাবে প্রযোজ্য। কোনো পুলিশ সদস্যের মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস। আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সব পদ স্থগিত। ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায় প্রকাশ।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাহিনীর সদস্যদের মাদকমুক্ত রাখা এবং শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে সন্দেহভাজন সদস্যদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওসমান গনির পরীক্ষা করা হয়। তার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, ডোপ টেস্টে পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার ঘটনাটি কিশোরগঞ্জ পুলিশ বিভাগে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সূত্র: Probash Khabor








