পলাতক আসামিদের সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়া জানালেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল

প্রকাশ:

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আপিলের নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পরপরই আসামিদের গ্রেফতার ও সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। ৪ দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর ভুয়া, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর স্পষ্টভাবে জানান, যেসব দণ্ডিত আসামি বর্তমানে পলাতক আছেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারের পরই আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের সাজা কার্যকর করা হবে। হরমুজ ও কেশম দ্বীপে ৩ মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান।

আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী যেকোনো রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে আর আপিল করার আইনি সুযোগ থাকে না। তাই সেই সময়সীমা শেষ হওয়ামাত্রই সাজা কার্যকরের আইনি পথ প্রশস্ত হবে।

উল্লেখ্য যে, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছেন। এসব রায়ে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে পলাতক থাকায় তাদের আইনের আওতায় আনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে। মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালো আন্দোলনকারীরা। চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ।

ট্রাইব্যুনালের এই পদক্ষেপে পলাতক দণ্ডিতদের সাজা দ্রুত বাস্তবায়নের একটি স্বচ্ছ আইনি কাঠামো নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মামলার নথিপত্র এবং আইনের ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিই আজ সংবাদ সম্মেলনে উঠে এসেছে। ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণ হারানো সহপাইলটের বয়স মাত্র ২০।

পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনি সব ধরণের সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে এবং অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন কার্যালয়।

শেয়ার করুন