থাইল্যান্ডের কৃষি ও নির্মাণ খাতে চলমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটির সরকার। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিএসএফের হাতে আটক ২ পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি। ভারতের তরুণদের আন্দোলন রূপ নিচ্ছে সরকার পতনের এক দফায়। মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে টপকালো বাংলাদেশ, যতোদিন থাকতে পারে এই অবস্থানে।
গত ১৩ অক্টোবর থাইল্যান্ডের শ্রম নীতিবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে নতুন তিনটি দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের এই পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। দেশটির অর্থনীতিতে কৃষি এবং নির্মাণশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তবে দীর্ঘদিনের শ্রমিক ঘাটতির কারণে উৎপাদন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত ঘটছে। ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের প্রয়োজন’, অনুপ্রেরণাদায়ী ৩ ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী। বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় ইমরানকে দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ।
শ্রমিকের এই অভাব দূর করতে এবং নিয়োগের উৎস বহুমুখী করার লক্ষ্যেই থাই প্রশাসন প্রচলিত বাজারের বাইরে গিয়ে নতুন দেশগুলো থেকে কর্মী আনার চিন্তা করছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে এক্ষেত্রে সম্ভাব্য শ্রমবাজার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিন দেশের জন্য এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো নিয়োগ কোটা কিংবা কর্মীর সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে কর্মী নেওয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি বর্তমানে এগিয়ে চলছে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে প্রথম দফার কর্মীরা থাইল্যান্ডে পৌঁছাতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকেও কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে।
থাইল্যান্ডের এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন এক গন্তব্যের দ্বার উন্মুক্ত হবে। বিশেষ করে কৃষি ও নির্মাণ খাতের কাজের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর দিল থাইল্যান্ড।
অবশ্য এখন পর্যন্ত নিয়োগের নির্দিষ্ট সময়সূচি, বেতনকাঠামো, ভিসা নীতি বা বিস্তারিত আবেদনপ্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি। তাই আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসার আগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী দাবি করলেও বার পরীক্ষায় পাস করেননি ট্রাম্পের প্রেস সচিব।
সূত্র: Probash Khabor








