মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলারবিষয়ক সহকারী সচিব মোরো নামদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ভিসার বাতিলের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইন মেনে না চললে বিদেশি নাগরিকরা দেশটিতে ভ্রমণের সুযোগ হারাবেন।
নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স নীতি
মোরো নামদার তার পোস্টের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের একটি বার্তা যুক্ত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ইতিহাসের অন্য যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন অনেক বেশি দ্রুতগতিতে ভিসা বাতিলের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নামদার আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে আমাদের দেশ ও মার্কিন জনগণের নিরাপত্তাই এখন সবার আগে—আজ এবং প্রতিদিন। এই নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই নিয়মিত যাচাই-বাছাই চলছে।
কাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে?
- অবৈধ কর্মকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা।
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে এমন বিদেশি নাগরিক।
- ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী আইন অমান্যকারী।
- ভিসা সংক্রান্ত নথিপত্রে জালিয়াতি বা প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে যারা আইন ভঙ্গ করেন, জালিয়াতি করেন কিংবা জাতীয় নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করেন, তাদের ব্যাপারে সরকারের কোনো ছাড় নেই। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের কঠোর অভিবাসন ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা নিয়ম মেনে চলবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








