সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত মা ও মেয়ে

প্রকাশ:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি নোহা মাইক্রোবাসের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একই পরিবারের আরও চারজন সদস্য। বুধবার সকাল পৌনে আটটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন ৬০ বছর বয়সী রোজী আক্তার ও তাঁর ৪২ বছর বয়সী মেয়ে নাজমা খাতুন। তাঁদের পৈতৃক বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলায় হলেও তাঁরা সপরিবারে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করতেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নাজমা খাতুনের স্বামী আসলাম হোসেন ও তাঁদের দুই ছেলে। তবে অপর এক আহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে এসে হতাহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক আমিনুজ্জামান জানান, আসলাম হোসেন তাঁর স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই ছেলেসহ ছয়জন মিলে একটি মাইক্রোবাসে করে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক আত্মীয়ের কবর জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে বাড়বকুণ্ড এলাকায় পৌঁছানোর পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে গাড়িটি মারাত্মকভাবে দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি ইতিমধ্যে জব্দ করা হয়েছে, তবে ঘটনার পর চালককে পাওয়া যায়নি। এদিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য নিহতের স্বজনরা আবেদন জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন