নীলফামারীর ডোমারে দীর্ঘস্থায়ী ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ের ফলে গ্রাহক পর্যায়ে তীব্র অসন্তোষের আশঙ্কা করছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ডোমার থানায় একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গত রোববার ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ.কে.এম. আলাউদ্দিনের স্বাক্ষরে এই আবেদনটি করা হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতি থাকায় বরাদ্দ অনুযায়ী লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে, যা থেকে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, এই ক্ষোভের প্রভাব বিদ্যুৎকেন্দ্র, উপকেন্দ্র ও অভিযোগ কেন্দ্রগুলোর ওপর পড়তে পারে। তাই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডোমার জোনাল অফিস, আন্ধারুর মোড়স্থ উপকেন্দ্র-১ এবং চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রে রাতের বেলায় সার্বক্ষণিক পুলিশ টহল ও নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে আবেদনে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ওসি মো. হাবিবুল্লাহ আরও জানান, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই অবনতির দিকে না যায়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: Probash Khabor








