তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।
অনুষ্ঠানটিতে তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর প্রমুখ এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের কাছে পাঠানোর জন্য একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের কাছে হস্তান্তর করেন। এই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও জনগণকে দেশটির প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বিস্তৃত ও সম্প্রসারিত হবে বলেও তারা প্রত্যাশা করেন।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








