পর্তুগালের জার্সিতে দীর্ঘ ২৩ বছরের পথচলার ইতি টানলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে পুরুষদের ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডধারী এই কিংবদন্তি আর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামবেন না। দীর্ঘ এই পথচলায় শুধু রেকর্ডই গড়েননি, পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাসেও হয়ে উঠেছেন সবচেয়ে প্রভাবশালী মুখগুলোর একজন।
২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর রোনালদো পর্তুগালের হয়ে মোট ২৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন। নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি গোল করেছেন ১৪৬টি। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০১৯ সালে উয়েফা নেশনস লিগের শিরোপা জিতেছিল পর্তুগাল। এছাড়া তিনি পাঁচটি বিশ্বকাপ ও ছয়টি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেকের পর জাতীয় দলের জার্সিতে ২৩৪ ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো।
২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর থেকেই রোনালদোর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে জাতীয় দল ছাড়ার কথা ভাবলেও পরে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটালেন তিনি। পরে তিনি জানিয়েছিলেন, জাতীয় দল ছাড়ার কথা একসময় ভেবেছিলেন; তবে সিদ্ধান্ত বদলে খেলা চালিয়ে যান।
জাতীয় দলের হয়ে শেষ সময়ের দিকে কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে রোনালদোর মতবিরোধের গুঞ্জন সামনে এসেছিল। বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে নরওয়ের বিপক্ষে নেশনস লিগের ম্যাচে তাঁকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার ঘটনাটি বেশ অস্বস্তির জন্ম দিয়েছিল। যদিও অবসরের পেছনে ঠিক কী কারণ কাজ করেছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে অবসরের সিদ্ধান্তের পেছনে এটিই একমাত্র কারণ কি না, তা স্পষ্ট নয়।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ








